Site icon dbarta24.com

সংঘবদ্ধ ধর্ষণে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে হাসপাতালে স্কুলছাত্রী

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: শিবালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে (১৮) ঘরে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। তাকে জেলা সদরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে ছাত্রী। চিকিৎসকরা তাকে রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ ও ভয়ভীতির কারণে মেয়েটি মানসিক বিকারগ্রস্ত হতে পারে। এমন অবস্থায় যে কেউ মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলতে পারেন।

ভুক্তভোগী মেয়েটি আঘাত সহ্য করতে না পেরে হয়তো মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে।

আরও পড়ুন : প্রেমিককে মুসলিম হয়ে বিয়ের চাপ; গলাটিপে প্রেমিকাকে হত্যা

এ ঘটনায় মেয়েটির ভাই বাদী হয়ে বোনকে অপহরণ করে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

মামলায় উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা তিন ভাই হৃদয় হোসেন (২৫), জসিম উদ্দিন (৩৩) ও সুজন মিয়াকে (৩০) আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মেয়েটির বাবা নেই। স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করতো হৃদয় হোসেন। হৃদয় বিবাহিত এবং সন্তান আছে।

বোনকে উত্ত্যক্তের বিষয়ে বাদী হৃদয়ের বড় দুই ভাইকে জানালেও তারা কর্ণপাত করেনি। ১৩ মার্চ রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে মেয়েটি ঘরের বাইরে গেলে হৃদয় হোসেন চেতনানাশক ওষুধ ছিটিয়ে তাকে অচেতন করে অজ্ঞাত স্থানের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে একটি কক্ষে দেখতে পেয়ে সে কান্নাকাটি শুরু করে।

আরও পড়ুন : পাবনায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

এ সময় তার গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ করা হয় এবং মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই কক্ষ থেকে পালানোর চেষ্টা করলে হত্যা করে লাশ গুম এবং ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় হৃদয়। এভাবে এক সপ্তাহ আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। গত রবিবার আদালতে মামলার আবেদন করেন মেয়েটির ভাই।

Exit mobile version