ডেস্ক রিপোর্ট: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক ব্যক্তিকে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হয়। এরপর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ভোরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তি আমিনুল ইসলাম (৫০) স্থানীয় সিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। গত ১৬ মার্চ তার মরদেহ পাওয়া যায়, তবে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ রাত ১০টা ২ মিনিটে আমিনুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। কলকারী নিজেকে থানার পুলিশ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলে, আমিনুলের নামে মামলা হয়েছে এবং মামলা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে দুই লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কলকারী তাকে গালাগাল ও হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর আমিনুল রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং আর ফিরে আসেননি। পরদিন ভোরে পুকুরিয়া গ্রামের একটি ড্রেনে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।
আমিনুলের মেয়ে আফরোজা খাতুন জানান, তার বাবা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পরিবারকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের আরেক সদস্য ইউনুচ আলী বলেন, একই রাতে একই মোবাইল নম্বর থেকে তাকেও কল করে দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়। তিনি জানান, এই চক্রটি আরও ছয়জন ইউপি সদস্যকে হুমকি দিয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, আমিনুলের পরিবার থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছিল, কিন্তু কিছু সময় পরই তারা অভিযোগটি ফিরিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, পুলিশ পরিচয়ে চাঁদা দাবি করার ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশের ধারণা, ঈদকে কেন্দ্র করে একটি প্রতারক চক্র বিভিন্ন কৌশলে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে।

