Site icon dbarta24.com

হত্যার প্রতিশোধ নিতে হাতির দলের তাণ্ডব, মানুষের ঘুম হারাম

শেরপুর প্রতিনিধি: নালিতাবাড়ীতে কৃষকের বৈদ্যুতিক ফাঁদে একটি হাতি মারা গেছে। মৃত হাতিটির ময়নাতদন্তের পর ওই এলাকায় পুঁতে রাখা হয়েছে। এদিকে পালের এক সদস্যকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একদল হাতি।

মৃত্যুর পর থেকে হাতিটির কবরের পাশে অবস্থান নিয়েছে অন্তত ৪০টি হাতি।

গত দুই রাত ধরে তারা কবরের পাশে চিৎকারসহ যে কৃষকের ফাঁদে হাতিটি মারা গেছে, সেই কৃষকের ফসলের ক্ষেত পা দিয়ে মাড়িয়ে ফসলে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। রাতভর হাতিদের এমন তাণ্ডবে ভয়ে ওই এলাকার মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

শুক্র ও শনিবার রাতে উপজেলার উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের উত্তরে লাল টেংগুর পাহাড়ি এলাকায় হাতির দল এমন তাণ্ডব চালিয়েছে।

আরও পড়ুন : মসজিদ আল-হারামে এক দিনে ৩০ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকায় কৃষকের দেওয়া বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে একটি পুরুষ হাতি মারা যায়। মৃত ওই হাতিকে ময়নাতদন্ত শেষে কৃষকের ক্ষেতের পাশে মাটি চাপা দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকেই প্রতিশোধ নিতে মৃত বন্যহাতির কবরের পাশে অবস্থান নেয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি বন্যহাতির দল। সাথী এক হাতিকে হারিয়ে তাকে উদ্ধার করতে ওই স্থানে জড়ো হাতির দল। এসময় হাতিগুলো চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে।

সেই সঙ্গে হাতি হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কৃষক জিয়াউর রহমান জিয়ার ৫০ শতক বোরো ধানের ক্ষেতে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। পরে গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে বন্যহাতির পাল পিছিয়ে যায়। কিন্তু ভয়ে রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারছেন না তারা।

আরও পড়ুন :  প্রেমিককে মুসলিম হয়ে বিয়ের চাপ; গলাটিপে প্রেমিকাকে হত্যা

মধুটিলা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলী বলেন, সেদিন যেখানে হাতির মৃত্যু হয়েছে তার কবর ও আশপাশে দুই দিন ধরে রাতে একদল বন্যহাতি অবস্থান নিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করছে।

বর্তমানে ওই হাতির দলটি মধুটিলা ইকোপার্ক এলাকায় অবস্থান করছে। কিন্তু দিনের আলোতে খুব একটা বের হচ্ছে না, সন্ধ্যা হলেই বের হচ্ছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতন ও সর্তকতা করে যাচ্ছি।

Exit mobile version